বৃষ্টি হয়তো নামবে তুমুল,
এই নাগরিক শহর মাফিক
জড়িয়ে থাকতে আলস্য ঘুম
ছুটির আদর থমকে ট্রাফিক।
তাইতো অবাধ রাস্তা পেরোই
পালিয়ে যেতে মফস্বলি,
সন্ধ্যে নামুক চায়ের দোকান
ছায়াছবির আমিও প্রেমিক।
প্রেম হয়ে যায় সেই ঠিকানায়
যেমনটি ঠিক চিঠির পাতা
চোখের কোণে কাজল, তোমায়
মানিয়ে নেবে এ কলকাতা।
— সৌম্য
2.
মুখোমুখি
চলো ঘুরে আসি হাঁটুজল ফেলে
রিক্সার ভাড়া বেড়েছে খুব
পকেটের নিচে মেঘলা শহর
দিলদরিয়ার মাঝিরা চুপ।
সারাদিন ভিজে কাকের বাসাতে
হোডিং এর আলো পায়চারি
তোমাকে এখনো স্নানঘরে দেখি
চাকরি মিলেছে আফগারী।
চোখে থমকিয়ে বাক্যরচনা
শ্রাবণের বাড়ি বেগম পুর
চলো সামিয়ানা রেস্তোরাঁ খুঁজি
অর্ডার করেদিই চিকেন -স্টু।
— সৌম্য
3.
আদিম তোমায়
----------------------------------
এই তো আলোয় আদিম তোমায় দেখতে চাওয়ার শেষ ঠিকানা,
দিগন্তে কোন চিঠির আদর জমিয়ে রাখি বুকের কোনায়।
গান হাওয়া আজ গহীন বনে মুক্ত রাগের দৃশ্যপটে
কার বুকে কে আশকারা পায় বৃষ্টি নামার সন্নিকটে।
কোন পথিক আজ বর্ষা মুখর মন কেমনের দিনান্তে ঠিক...
এই তো আদিম তোমায় পাবার জন্যে আমি নিয়ম মাফিক,
একলা সুরের আবেশ নিয়ে আবার মাতি সে এসরাজে,
তোমায় ভালোবাসতে চেয়ে, ডাকছি গানে বসন্তকে।
— সৌম্য
4.
শুধু ফিরে চাওয়া তার
হাওয়া ধরা বুকে যার
আলোড়ন অহরহ ছিল,
যে নিয়তি ব্যথাহীন
বেঠোফেন অমলিন
কে তাকে উদাস করে দিল।
মেনে নিয়ে প্রিয় দিন
দুরূহ আদর ক্ষীণ
ঐ দুরে জেটি ভাঙা ঢেউ
আমাদের প্রেম ছিল
গাঙুরের গান ছিল
আর, যেন চেয়েছিল কেউ।
—সৌম্য | ক্যলিংপং | ২০২৪
5.
0 Comments